বিয়ানীবাজারে রাত পোহালে ভোট প্রস্তত ভোট কেন্দ্র ও প্রশাসন 

  • আপডেট টাইম : ডিসেম্বর ২৫ ২০২১, ০৭:৪১
  • 28 বার পঠিত
বিয়ানীবাজারে রাত পোহালে ভোট প্রস্তত ভোট কেন্দ্র ও প্রশাসন 
মিসবাহ উদ্দিন,বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ
বিয়ানীবাজার ইউপি নির্বাচনে প্রচারণা শেষ রাত পোহালে ভোট । তাই শেষ মুহূর্তে সরগরম নির্বাচনী মাঠ। নির্ঘুম রাত কাটছে প্রার্থীদের। ভোটের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তারা। দিচ্ছেন উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি, চাইছেন ভোট। তবে সাধারণ মানুষের ভাষ্য মুখে প্রতিশ্রুতি নয়। এলাকার উন্নয়নে, পরিচ্ছন্ন এবং দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ায় যে প্রার্থী ভূমিকা রাখতে পারবেন তাকেই ভোট দিবেন। তাই অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ‘জয় হবে ভোটারদের’ এমনটাই প্রত্যাশা করছেন তারা।
চতুর্থ ধাপে আগামীকাল ২৬ ডিসেম্বর বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন ঘিরে এখানকার ইউনিয়নগুলোর সর্বত্র এমন চিত্র। সরেজমিনে দেখা গেছে, পোস্টার-লিফলেটে ছেয়ে গেছে সব এলাকা। গ্রামগঞ্জে গিয়ে বাড়ি বাড়ি ভোট চাইছেন প্রার্থী ও কর্মীরা।
এদিকে উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে চেয়ারম্যান পদে মূল লড়াইয়ে থাকা প্রার্থীদের নাম বলছেন ভোটাররা। তাদের দেয়া তথ্যমতে, উপজেলার আলীনগরে মূল লড়াইয়ে মামুনুর রশীদ (ঘোড়া ও আহবাবুর রহমান খান শিশু (নৌকা), চারখাইয়ে মাহমুদ আলী নৌকা) ও হোসেন মুরাদ চৌধুরী (আনারস), শেওলায় জহুর উদ্দিন (নৌকা) ও আখতার হোসেন খান জাহেদ (আনারস), দুবাগে মাওলানা মোস্তাক আহমদ (মোটর সাইকেল) ও জালাল আহমদ (চশমা), কুড়ারবাজারে আবু তাহের (আনারস) ও তুতিউর রহমান তোতা (অটোরিক্সা), মাথিউরায় কছির আলী আব্দুর রব (আনারস) ও আমান উদ্দিন (নৌকা), তিলপাড়ায় মাহবুবুর রহমান (চশমা) ও এমাদ উদ্দিন (নৌকা), মুড়িয়ায় হুমায়ুন কবির (নৌকা)-ফরিদ আল মামুন (চশমা) ও রুহুল আমীন (আনারস), মুল্লাপুরে এম এ মান্নান (আনারস) ও আব্দুল করিম (ঘোড়া) এবং লাউতায় এম এ জলিল (নৌকা)-গৌছ উদ্দিন (আনারস) ও দেলোওয়ার হোসেন (ঘোড়া) শক্ত প্রতিদ্বন্ধি। মূলত: এদের মধ্য থেকেই নির্বাচিত হবেন ১০জন চেয়ারম্যান। যাদের নেতৃত্বে এগিয়ে যাবে তৃণমুলের উন্নয়ন।
এদিকে নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। কোথাও যেন কোন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য তৎপর রয়েছে পুলিশ। একইসাথে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতিও আদায় করছে প্রশাসন।
বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ কামাল হোসেন জানান, শুক্রবার রাত থেকেই প্রচারণা শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যে নির্বাচন সুষ্টুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটরা দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। তিনি সুষ্টু ভোট আয়োজনে সকলমহলের সহযোগীতা কামনা করেন। নির্বাচন সুষ্টুভাবে সম্পন্ন করতে ৩জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য এদিন দায়িত্ব পালন করবেন জানান।
প্রাপ্ত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৯৫টি ভোটকেন্দ্র্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্টিত হবে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে আবার ৪২৫টি বুথে ভোটগ্রহণ করার প্রস্তুতি নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এখানকার ৭৮১০১জন পুরুষ এবং ৭৯৫০১জন মহিলার সমন্বয়ে ভোটার তালিকা চুড়ান্ত করা হয়েছে। এদিন ১০জন চেয়ারম্যান, ৯০জন সাধারণ সদস্য এবং ৩০জন সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য নির্বাচন করবেন ভোটাররা। ভোটকেন্দ্রগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোটার রয়েছেন চারখাই ইউনিয়নের চারখাই উচ্চ বিদালয়ে। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ২৯৭৫জন। আর সর্বনিম্ন ভোটার সংখ্যা লাউতা ইউনিয়নের বাউরভাগ গ্রামের একটি অস্থায়ী ভোটকেন্দ্রের। এখানে মোট ভোটারের সংখ্যা ৫৫০জন।
এই ক্যাটাগরীর আরো খবর