বিয়ানীবাজারে এসএসসি সমমান পরিক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩৭৪১জন

  • আপডেট টাইম : নভেম্বর ১২ ২০২১, ১৭:৩০
  • 60 বার পঠিত
বিয়ানীবাজারে এসএসসি সমমান পরিক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩৭৪১জন

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধিঃ
বিয়ানীবাজারে এসএসসি সমমান পরিক্ষায় অংশ নিচ্ছে ৩৭৪১জন পরিক্ষার্থী। আগামী রবিবার থেকে শুরু হওয়া এ পরিক্ষা বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০টি কেন্দ্রে অনুষ্টিত হবে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মৌলুদুর রহমান জানান, ৫টি ভেন্যুর অধীনে মোট ১০টি কেন্দ্রে এসএসসি সমমান পরিক্ষার সবধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এবারের এসএসসি পরিক্ষায় মাধ্যমিক পর্যায় থেকে ৩২১৮জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিলে ৪৭৭জন ও ভোকেশনালের অধীনে আরো ৪৬জন পরিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

এদিকে পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞা পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলবে।

উপজেলা নির্বাহি অফিসার অআশিক নূর জানান, কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিক্ষা গ্রহণ করতে নির্দেশণা দেয়া হয়েছে।
এদিকে গত ২ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সই করা পরিপত্র শুক্রবার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে সকল পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করে আসন গ্রহণ করতে হবে।

অনিবার্য কারণে কোনও পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের পর পরীক্ষা কেন্দ্রে আসলে রেজিস্ট্রারে নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করতে হবে। বিলম্বে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্র সচিব সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে অবহিত করবেন।

কেন্দ্র সচিব ব্যতীত পরীক্ষা কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। কেন্দ্র সচিব ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ (ফিচার) ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। অননুমোদিত ফোন, ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

প্রত্যেক কেন্দ্রের জন্য একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট/কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) নিয়োগ দিতে হবে। ট্রেজারি/থানা/নিরাপত্তা হেফাজত থেকে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধি ট্যাগ অফিসারসহ প্রশ্নপত্র গ্রহণ করে পুলিশ প্রহরায় কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট/কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার)-এর উপস্থিতি ব্যতীত প্রশ্ন বের করা যাবে না, বা বহন করা যাবে না।

ট্রেজারি/থানা/নিরাপত্তা হেফাজত থেকে পরীক্ষার কেন্দ্রে বহুমুখী নির্বাচনি প্রশ্নসহ রচনামূলক/সৃজনশীলের সকল প্রশ্ন সেটই নিতে হবে। সেট কোড পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে জানানো হবে। সে অনুযায়ী নির্ধারিত সেট কোডে পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার), কেন্দ্র সচিব এবং পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতি ও সই বিধি অনুযায়ী প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলতে হবে।

পরীক্ষা চলাকালীন এবং পরীক্ষা অনুষ্ঠানের আগে বা পরে পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা ব্যতীত অন্যদের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে। এ সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশকারী অননুমোদিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
অনিবার্য কারণবশত কোনও পরীক্ষা বিলম্বে শুরু করতে হলে যত মিনিট পরে পরীক্ষা শুরু হবে, পরীক্ষার্থীদের সে সময় থেকে যথারীতি প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত নির্ধারিত সময় দিতে হবে।

পরীক্ষাকেন্দ্রে ও প্রশ্ন পরিবহনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব কিংবা একাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো নজরদারি জোরদার করবে।
কোভিড-১৯ মহামারির কারণে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সকলকে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে পরীক্ষা অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য পরীক্ষার্থীর সঙ্গে একজনের বেশি অভিভাবক আসতে পারবেন না। তাছাড়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর থেকে গত ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা গাইড লাইনের নির্দেশনা প্রতিপালন করতে হবে।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর