বিয়ানীবাজারে আজমল হত্যা মামলায় দুই জনের ফাসির আদেশ

  • আপডেট টাইম : সেপ্টেম্বর ১৫ ২০২১, ০৮:১১
  • 23 বার পঠিত
বিয়ানীবাজারে আজমল হত্যা মামলায় দুই জনের ফাসির আদেশ

স্টাফ রিপোর্টার:

 

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার জলঢুপ গ্রামের আজমল হোসেনকে হত্যার দায়ে দুইজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালত মো.মিজানুর রহমান ভূইয়া। রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর ) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

 

ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার কুতুবনগর গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে রুহেল আহমদ কালা ও মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা গুলসা এলাকার বিজয় কান্ত এর ছেলে অপুদাস জাকারিয়া। মামলার রায়ে এই দুই আসামিকে ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড, ৩৯৭ ধারায় দশ বৎসরের কারাদণ্ড ও ১০,০০০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের কারাদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছে। রায় ঘোষণা করার সময় দুই আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

 

এই মামলায় আসামি ছিলেন চারজন। অপর দুই আসামি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানার শান্তিনগর গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে মো. হোসাইন আহমদ ও মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল এলাকার নলুয়ারপাড় গ্রামের আলকাছ উদ্দিনের ছেলে জামাল উদ্দিন। এই দুই আসামির বয়স কম হওয়াতে শিশু আদলতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

 

আদালত সূত্র জানায়, আজমল হোসেন ২০১৬ সালের ৩০ জানুয়ারি উপশহর বাসা থেকে নিজ বাড়ি বিয়ানীবাজার উপজেলার লাউতা ইউনিয়নের জলঢুপ গ্রামে যান। এলাকায় তিনি একটি মাদ্রাসা গড়ে তুলেছেন, মাদ্রাসার কাজের জন্য তিনি ৫০ হাজার টাকা সাথে করে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। অত্র এলাকায় একজন দানশীল ও স্বজ্জন ব্যক্তি হিসেবে ও তিনি পরিচিত ছিলেন। ৩ফেব্রুয়ারি সকালে মাদ্রাসার শিক্ষকরা তাঁর বাড়িতে গেলে রক্তাক্ত অবস্থায় ঘরের মেঝেতে তাকে পড়ে থাকতে দেখেন। তারা বিষয়টি আত্বীয়স্বজ্জনসহ সবাইকে কে জানালে আত্বীয়স্বজ্জনসহ উপস্থিত সবাই তাকে সিলেটের একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসারত অবস্থায় আজমল হোসেন মৃত্যুবরণ করেন।

 

মৃত্যুর পরে মামলাটি তদন্ত করে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চারজন আসামিকে পুলিশ সনাক্ত করে ও ১৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি নেয়। দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে রবিবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ ৩য় আদালত মিজানুর রহমান ভূইয়া এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।

এই মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাড. রাসেল খাঁন ও অ্যাড. নুরুল আমীন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন এডিশনাল পিপি এড.জসীম উদ্দীন আহমদ। বিবাদিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন এড.আলী হায়দার।

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর