ভার্চুয়াল মুদ্রা বিটকয়েন ও সাতোশি নাকামোতো

  • আপডেট টাইম : মার্চ ১৫ ২০২১, ০৫:০৯
  • 73 বার পঠিত
ভার্চুয়াল মুদ্রা বিটকয়েন ও সাতোশি নাকামোতো

কৌতূহলের সাথে জ্ঞানের মাত্রা বাড়াতেও চোখ রাখতে হবে আজকের এই খবরে। সাতোশি নাকামোতো, নামটা কি চেনা ঠেকছে? যদি না হয় তবে আসুন জেনে নেই কারা এই সাতোশি নাকামোতো! কোথায় তাদের দেশ? তাদের দেশ সেই সুদূর জাপানে। আমরা সকলেই জানি জাপান প্রযুক্তিতে খুব উন্নত একটি দেশ। এরকম দেশে লেনদেনের প্রক্রিয়াও সাধারণ পদ্ধতি নির্ভর হবে না সেটাই অভিপ্রেত। প্রযুক্তির বরদান কম্পিউটার টেকনোলজি, আর সেই টেকনোলজি থেকে উদ্ভূত ডিজিটাল কারেন্সি। সাতোশি নাকামোতো ব্যাক্তি বা ব্যাক্তিগোষ্ঠীর মানুষেরা মিলে প্রথম আবিষ্কার করেন ব্লকচেন বিটকয়েন। ডিজিটাল কারেন্সির  প্রথম বিকেন্দ্রীকরণকে করেন সুদূরপ্রাসারি। এঁরাই আবিষ্কার করেন বিটকয়েন  (Bitcoin)। কিন্তু এই বিটকয়েন আসলে কি? ২০০৭ সালে সাতোশি নাকামোতো ব্যাক্তি বা ব্যাক্তিগোষ্ঠীর মানুষেরা বিটকয়েন  শুরুর প্রথম ধাপ রচনা করেন কোড বা সাংকেতিক ভাষা ব্যবহার করে।

২০০৮ সালের শেষের দিকে সংকেতলিপি রচনার বিদ্যার একটি মেইলিং তালিকাতে সংকেত মুদ্রাকে “বিটকয়েন (Bitcoin: A Peer-to-Peer Electronic Cash System)” বলে উল্লেখ করেন। ২০০৯ সালে UK এর একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয় “জেনেসিস ব্লক অফ বিট কয়েন (genesis block of bitcoin)” নামে যার মধ্যে ছিল ৫০টি বিটকয়েন। বিটকয়েন সফটওয়্যারকে আরও উন্নত করতে ২০১০ সালের মাঝামাঝি নাগাদ সাতোশি নাকামোতো ব্যাক্তি বা ব্যাক্তিগোষ্ঠীর মানুষেরা অন্যান্য ডেভেলপারদেরও সাহায্য নিয়ে থাকেন।  এভাবে আসতে আসতে বিটকয়েন গোষ্ঠীর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। বিটকয়েনের দ্বারা আয়ও হয় ক্রমবর্ধমান গতিতে যা মাত্র দশ বছরেই মূল্যের নিরিখে ছাপিয়ে যায় বাকি সব ডিজিটাল কারেন্সিকে।২০১৭ সাল পর্যন্ত বিটকয়েন ইউ.এস ডলার ১৯ বিলিয়ন আয়ের মাধ্যমে উচ্চতর শিখরে অবস্থান করে এবং সাতোশি নাকামোতোকে বিশ্বের ৪৪তম ধনী ব্যাক্তি করে তোলে। এ পর্যন্ত স্পষ্ট হলেও আসল ক্ষেত্রেই কুয়াশার মেঘ বিস্তৃত হয়ে আছে। সাতোশি নাকামোতো কি করেছেন এবং কেন তিনি আলোচনার শীর্ষে তা বোঝা গেল। কিন্তু কে এই সাতোশি নাকামোতো? আসল পরিচয় নিয়ে দ্বন্দ হওয়ার প্রধান কারণ সাতোশি নাকামোতর আসল পরিচয় নির্ভর করছে সংকেতলিপি রচনার বিদ্যা ও কম্পিউটার সায়েন্সের বিশেষজ্ঞতার উপর। এখনও পর্যন্ত আনুমানিক ১৭ জন সাতোশি নাকামোতো হওয়ার দাবি করেছেন আর এরা সবাই-ই জাপান বহির্ভূত অন্য দেশের নাগরিক।

বলা হয়, ২০০৮ সালের শেষের দিকে জাপানের নাগরিক সাতোশি নাকামোতো নামের এক ব্যক্তি এই ‘ক্রিপ্টোকারেন্সির’ উদ্ভাবন করেন। যদিও এই ব্যক্তির আসল নাম বা পরিচয় এখনো জানা যায়নি। নতুন এই ভার্চুয়াল মুদ্রার নাম হয় বিটকয়েন। ২০১৩ সালের দিকে এই মুদ্রার দাম ১০ হাজার ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার পর জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করে।

 

আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন এই লিঙ্কে – https://www.economist.com/blogs/economist-explains/2015/11/economist-explains-1

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর